এটা আমার সমকামিতার বিরুদ্ধে দেয়া ৩য় status:-
Parthenogenesis/পার্থেনোজেনেসিস
হল এমন একটি অযৌণ প্রজনন যার জন্য কোন পুরুষ সঙ্গীর প্রয়োজন হয় না।
প্রাণিজগতের ভিতরে মাছ, ব্যাঙ, সরীসৃপ ও পাখিসহ এরকম মোট ৭০ টি প্রজাতি আছে
যে প্রজাতীর স্ত্রীরা কোন পুরুষ সঙ্গীর সাহায্য ছাড়াই অর্থ্যাৎ কোন পুরুষ
দ্বারা তাদের ডিম্বানু নিষিক্ত করা ছাড়াই তারা বংশ বিস্তার করতে পারে।
আমাদের মানব জাতীর ভিতরে কোন মেয়ে সন্তান ধারন করার
জন্য অবশ্যই ঐ মেয়ের ডিম্বানু কোন পুরুষের শুক্রানো দ্বারা নিষিক্ত হতে
হবে। কোন পুরুষের শুক্রানো ছাড়া কখনই কোন মেয়ের ডিম্বানু নিষিক্ত হতে পারবে
না। কিন্তু প্রাণিজগতের ভিতরে হুইপটেল গিরগিটি থেকে শুরু করে মৌমাছি,
কমোডো ড্রাগন, আঁশ পোকা এরকম প্রায় ৭০ টি প্রজাতি আছে যেইসব প্রজাতির ভিতরে
Parthenogenesis/পার্থেনোজেনেসিস
এর মত একটি অযৌণ প্রজনন ঘটে থাকে। এই সব প্রজাতির স্ত্রীলিঙ্গ গুলি
নিজেরাই কোন পুরুষ সঙ্গীর সাহায্য ছাড়াই তাদের বাচ্চা জন্ম দিতে পারে।
সেইক্ষেত্রে তাদের ডিম্বানুর কোন নিষেক না ঘটে সরাসরী ভ্রনে পরিনত হয়।
সাধারনত পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় স্ত্রী লিঙ্গ থেকে শুধু স্ত্রী
লিঙ্গেরই জন্ম নেয়। তবে অনেক সময় পার্থেনোজেনেসিস এর মাধ্যমে স্ত্রী পুরুষ
উভয় লিঙ্গের বাচ্চাই জন্ম হয়। যেমন পুরুষ কমোডো ড্রাগন এর ক্ষেত্রে ZZ এবং
মেয়ে কমোডো ড্রাগন এর ক্ষেত্রে WZ ক্রোমোজম থাকে। দুটো ভিন্ন ক্রোমোজম
থাকার কারণে মেয়ে কমোডো ড্রাগন এর ডিম্বে WW এবং ZZ দুটোই থাকতে পারে। তবে
দেখা গেছে ZZ কেবল বেঁচে থাকতে পারে। অর্থাৎ, কমোডো ড্রাগন এর ক্ষেত্রে
পার্থেনোজেনেসিস শুধুমাত্র ছেলের জন্ম দিতে পারে। এখানে উল্লেখ্য যে কোন
প্রজাতির ভিতরে পার্থেনোজেনেসিস বা অযৌণ প্রজনন ও স্বাভাবিক যৌণ প্রজনন এই ২
টাই একসাথে চলে। যখন ঐ ৭০ টি প্রজাতির ভিতরে পুরুষ সঙ্গীর অভাব পরে তখন
মেয়ে প্রজাতিরা নিজেরাই পার্থেনোজেনেসিস এর মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দেয়। এটা
মুলত প্রতিকূল পরিবেশেও যেন তাদের প্রজাতি গুলি বিলুপ্ত না ঘটে সেই জন্যই
আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তাদের মাঝে পার্থেনোজেনেসিস এর প্রক্রিয়া টি চালু করে
রেখেছেন। উদ্ভিদ জগতের মাঝে শুধুমাত্র spirogyra উদ্ভিদেরই
পার্থেনোজেনেসিস ঘটে থাকে।
মুক্তমনার প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায়
পার্থেনোজেনেসিস বা অযৌণ প্রজননের সাথে প্রাণিজগতের সমকামিতার উদাহরন টেনে
এনেছেন। আচ্ছা আপনারা একটু চিন্তা করে দেখুন এই পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়া
সম্পন্ন হওয়ার জন্য কি দুটি ভিন্ন নারীর ডিম্বাণু মিলিত হতে হয়? নিশ্চয়ই
নয়। পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য কোন যৌন মিলনেরও প্রয়োজনই
হয় না। একটি মায়ের দেহে নিজে নিজেই কোনও প্রকার যৌন মিলন ছাড়া যখন ডিম বা
বাচ্চা উৎপন্ন হয় তখনই তো তাকে Parthenogenesis বলা হয়। এবার সবাই আপনারা
ভেবে দেখুন, এই পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সাথে সমকামিতার কি
সম্পর্ক আছে? পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য কখনই কোন মহিলা
প্রজাতিকে অন্য কোন মহিলা প্রজাতির সাথে মিলিত হতে হয় না। উইকিপিডিয়ায়
পার্থেনোজেনেসিস সম্পর্কে নিবন্ধটা হল এই লিংকে http://en.wikipedia.org/wiki/Parthenogenesis
পুরা উইকিপিডিয়ায় কোথাও লিখা নাই যে পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়া সম্পন্ন
করার জন্য কোন মহিলা প্রজাতিকে তার আরেক মহিলা প্রজাতির সাথে মিলিত হতে
হবে। শুধু উইকিপিডিয়া না প্রাণিবিজ্ঞান বা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এ যারা
পড়েন তারাও ভালভাবে জানেন যে এই পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার
জন্য কখনই কোন মহিলা প্রজাতিকে তার আরেক মহিলা প্রজাতির সাথে মিলিত হতে হয়
না এবং তারা কখন যৌণ মিলন করেও না। পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়া হল একটা
মহিলা প্রজাতির নিজের মাঝেই একটি স্বশাষিত অযৌণ প্রজনন যেই অযৌণ প্রজননের
মাঝে কখনই কোন মহিলা প্রজাতির সংস্প্র্শ থাকে না। কিন্তু আমি অবাক হয়ে
গেলাম মুক্তমনার প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায় উনার “সমকামিতা: একটি বৈজ্ঞানিক
এবং সমাজ-মনস্তাত্ত্বিক অনুসন্ধান” এই বইয়ে কিভাবে
পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়ার সাথে সমকামিতাকে মিলিয়ে ফেলেছেন। আর বাংলার
আবাল নাস্তিকরা পার্থেনোজেনেসিস সম্পর্কে কোন পড়াশুনা না করেই এই
পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়াকেই সমকামিতার সাথে গুলিয়ে ফেলেছেন। হুইপটেল
গিরগিটির মাঝে পুরুষ প্রজাতি খুব কম থাকে। হুইপটেল গিরগিটির যখন ডিম পাড়ার
সময় হয় তখন আরেক হুইপটেল গিরগিটি ঐ মা হতে যাওয়া ঐ হুইপটেল গিরগিটির পেটে
একটা চাপ দেয়। ফলে মা হুইপটেল গিরগিটির পেট থেকে খুব সহজেই ডিম গুলি বের
হয়ে আসে। অভিজিৎ রায় এই ঘটনার সাথে সমকামিতার সম্পর্ক খুজে পেয়েছেন। আচ্ছা
আমাদের যেইসব মায়েদের নরমাল ডেলিভারি হয় তখন নার্সরা বাচ্চা যেন সহজ ভাবে
মায়ের পেট থেকে বের হতে পারে সেই জন্য ঐ গর্ভবতী মায়ের পেটে একটা চাপ দেয়।
এই গর্ভবতী মায়ের পেটে চাপ দেয়াটাকে মেডিক্যাল সাইন্স এর ভাষায় বলা হয়
"bearing down effort" এখন নার্স এই যে গর্ভবতী মায়ের পেটে চাপ দিয়ে সহজ
ভাবে বাচ্চাটাকে প্রসব করাল এই ঘটনাটাকে যদি আপনি সমকামিতা বলেন তাইলে আপনি
অবশ্যই একটা পাগল। অভিজিৎ রায় ঠিক এই পাগলামিটাই করেছেন হুইপটেল গিরগিটির
ব্যাপারে। হুইপটেল গিরগিটির ডিম পাড়ার সময় আরেকটি হুইপটেল গিরগিটি যে তাকে
চাপ দিয়ে ডিম পারায় সহায়তা করে তাকেই কিনা অভিজিৎ রায় সমকামিতা বলে
ফেলেছেন! আর বাংলার আবাল নাস্তিকরা এই অভিজিৎ রায়ের কথায় এক হুইপটেল
গিরগিটি আরেক হুইপটেল গিরগিটির পেটে চাপ দিয়ে ডিম বের করার ঘটনাটিকেই
সমকামিতা মনে করে মুক্তমনায় সে কি লাফালাফি !
যেহেতু
পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় বেশীর ভাগ সময়ে মেয়ে বাচ্চার জন্ম হয় তাই দেখা
যায় ঐ মেয়ে বাচ্চা গুলি একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মায়ের সাথে থাকে। আর ঐ
মেয়ে বাচ্চা গুলির মাঝে খুব ঘনিষ্ঠতা থাকে। অভিজিৎ রায় এই পার্থেনোজেনেসিস
প্রক্রিয়ায় জন্ম নেয়া মেয়ে বাচ্চা গুলির ঘনিষ্ঠতা কে সমকামিতা বলে উল্লেখ
করেছেন। তাইলে আমরা ছেলেরা যে হোস্টেলে বা মেসে থাকি তাইলে হোস্টেলে বা
মেসে থাকা সকল ছেলেরাই কি সমকামী ? আরে সমকামিতা হল একটি যৌণ প্রজনন। ২ টি
স্ত্রী প্রজাতি একসাথে থাকা মানে এই নয় যে তাদের মাঝে সমকামিতা আছে। আর যেই
সকল স্ত্রী প্রজাতিরা পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় বাচ্চা জন্ম দেয় তারা
কিন্ত ঠিকই তাদের পুরুষ সঙ্গীদের সাথে যৌণ প্রজনন করে। মুলত যখন ঐ সকল
প্রজাতিরা কোন পুরুষ প্রজাতি পায় না তখনই তারা পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়ায়
বাচ্চা জন্ম দেয়। কিন্তু এই পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় বাচ্চা জন্ম দেয়ার
জন্য তাদের কখনই কোন মহিলা ডিম্বানুর দরকার হয় না এবং তারা তাদের কোন মহিলা
প্রজাতির সাথে মিলনও করে না।
আমরা মুসলমানরা বিশ্বাস করি যে,
হযরত ঈসা আলাইহিস সাল্লাম কোন পিতা ছাড়াই হযরত মরিয়ম আলাইহিস সাল্লামের
গর্ভে জন্ম লাভ করেছিলেন। তৎকালীন মানুষের কাছে এটা বিস্ময়কর ঠেকলেও
বর্তমানে পার্থেনোজেনেসিস /Parthenogenesis এর মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই একে
ব্যখ্যা করতে পারি। মহান আল্লাহ সুবহানাতায়ালা প্রকৃতিতে যে
Parthenogenesis এর প্রক্রিয়া টি ছড়িয়ে রেখেছেন সেই অসাধারন বংশবিস্তার
পদ্ধতিটিই আমরা দেখতে পাই হযরত ঈসা আলাইহিস সাল্লামের জন্মের ক্ষেত্রে। তবে
ভবিষ্যতে যদি ভার্জিন বার্থ নামে কিছু চালুও হয় তবে এই ক্ষেত্রে কোন মেয়ের
পক্ষে কোন ছেলে কে জন্ম দেয়া সম্ভব না। কারন একটা মেয়ের শরীরে শুধু XX
ক্রমোসম থাকে কিন্তু ছেলেদের শরীরে XY ক্রমোসম থাকে। তাই মানব জাতির ভিতরে
কখনো যদি পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়া চালুও হয় তাও কখনই কোন মেয়ের পক্ষে
সম্ভব না কোন ছেলে কে জন্ম দেয়া। এটা আমার সমকামিতার বিরুদ্ধে দেয়া ৩য়
status. আমি সামনে আপনাদের কে Hermaphrodite বা উভলিঙ্গের দোহাই দিয়ে
অভিজিৎ রায় সমাকামিতার পক্ষে যে কথা গুলি বলেছেন সেই যুক্তি গুলি খণ্ডন করে
status দিব।
যেই সমকামিতা নিয়ে সারা পৃথিবীতে এত হইচই হচ্ছে, তারা আসলে সমকামী না তারা হল উভকামী!
======================================
খুশবন্ত সিং ভারতের একজন শীর্ষস্থানীয় লেখক ও সাংবাদিক। খুশবন্ত সিং এর
“দিল্লী” উপন্যাস টা যারা পড়েছেন তারা জানেন যে এই দিল্লী উপন্যাসে ভাগমতী
নামে একটি হিজড়া চরিত্র আছে। দিল্লীর বিভিন্ন পশ্চিমা দূতাবাসের অনেক
সমকামী কর্মকর্তারা এই ভাগমতী হিজরাকে ব্যবহার করত। এই ভাগমতী হিজরা টাকার
বিনিময়ে অনেক সমকামী ব্যক্তিদের সাথে মিলিত হত। খুশবন্ত সিং এর “দিল্লী”
উপন্যাসে ভাগমতী সমকামী বা Gay দের ব্যাপারে বলেছেন যে -"অদ্ভুদ উপায়ে এই
সমকামী ব্যক্তিরা আমার সাথে তাদের বিকৃত যৌনরুচি চরিতার্থ করত।"
হুমায়ন
আহমেদের “কবি” উপন্যাসটা যারা পড়েছেন তারা জানেন যে বাংলাদেশের অনেক সরকার
অনুমোদিত নিষিদ্দ পল্লীতে মেয়ে যৌণকর্মীদের সাথে অনেক হিজরারাও থাকে।
সারাদেশ থেকে সমকামী ব্যক্তিরা এই সব হিজরাদের কাছে আসে। পিতার সরকারি
চাকুরি করার সুবাদে আমি বাংলাদেশের ৮ টা জেলায় ছিলম। দুঃখজনক হলেও সত্য যে
আমার পিতা যে ৮ টা জেলায় ছিলেন এর মাঝে ৩ টা জেলাতেই সরকার অনুমোদিত
নিষিদ্দ পল্লী আছে। আমি সেই ৩ টা জেলার নাম বলে ঐ জেলাবাসীদের কে লজ্জা
দিতে চাই না। হুমায়ন আহমদ Sir এর "কবি" উপন্যাসে উনি যেই কথাটা বলেছিলেন যে
বিভিন্ন নিষিদ্ধ পল্লীতে মেয়ে যৌণকর্মীদের সাথে অনেক হিজরারাও থাকে এই
কথার চাক্ষুষ প্রমান আমি নিজেও পেয়েছি। ছেলে সমকামী বা Gay দের কাছে এই
হিজরা ব্যক্তিদের কিন্তু খুব চাহিদা।
উপন্যাসিক সুনীল
গঙ্গোপাধ্যায়ের বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে উপন্যাসিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন
যে উনার পরিচিত আমেরিকান অনেক কবি সাহিত্যিক যাদের কে প্রথমে উনি Gay
জানতেন কিন্তু পরে উনি দেখেন যে উনারা মেয়েদের সাথেও মিলিত হয়। আমেরিকান
অনেক Gay কবি সাহিত্যিকদের পুরুষ ও মহিলা উভয় ধরনের sex Partner ই আছে। লুত
আলাইহিস সাল্লামের ক্বওমের অনেক লোকই সমকামী ছিল এটা আমরা জানি। কিন্তু
লুত আলাইহিস সাল্লামের ক্বওমের মাঝে কিন্তু অনেক শিশুও ছিল। তাইলে বুঝা
যাচ্ছে যে লুত আলাইহিস সাল্লামের ক্বওমের লোকদের মাঝে বিয়ে সংসারও হত। আসলে
লুত আলাইহিস সাল্লামের ক্বওমের লোকেরাও স্ত্রী পুরুষ উভয় শ্রেণীর লোকদের
সাথেই বিছানায় শুইত। মূলত লুত আলাইহিস সাল্লামের সম্প্রদায়ের মাঝে যারা
সমকামী ছিল তারা pedophilia বা শিশু যৌন নির্যাতন করত। আর সমকামীদের sex এর
প্রধান বৈশিষ্ট্য হল যে তারা পেডোফিলিয়া বা শিশুদের উপর যৌন নির্যাতন করে।
সমকামীরা শুধু হিজরা না শিশুদের সাথেও তাদের বিকৃত রুচি চরিতার্থ করে।
অর্থাৎ যেই সমকামিতা নিয়ে সারা পৃথিবীতে এত হইচই হচ্ছে কিন্তু একটু
অনুসন্ধান করলেই দেখা যায় যে যাদের কে আমরা সমকামী বলছি তারা আসলে সমকামী
না তারা হল উভকামী। তারা ছেলে, মেয়ে ও হিজরা উভয়ের সাথেই মিলিত হয়। হ্যাঁ
এইকারনেই সমকামিতা কে পশ্চিমা বিশ্বের প্রথম শ্রেণীর বড় বড় সমাজবিজ্ঞানী
থেকে শুরু করে মনোবিজ্ঞানীরা সমকামিতাকে একটা Psycho sexual Disorder অথবা
একটা মানসিক রোগ অথবা একটা বিকৃত যৌনাচার বলেছেন।
২০১০ সালে আমি
প্রথম চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ টা ভাংচুর ও একটা বিস্ফোরক মামলায়
চট্রগ্রাম কারাগারে ১ মাস জেল খাটি। এরপর কিছুদিন আগেই তো কাশিমপুর
কারাগারে আমি ৬ মাস জেল খেটে আসলাম। বাংলাদেশের জেল খানা গুলিতে সমকামিতা
খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার হিসাবে গন্য হয়। জেল খানার আসামী ও কয়েদীরা
দীর্ঘ দিন নারীসঙ্গ থেকে বঞ্চিত থাকার কারনে অনেকেই সমকামী হয়ে যায়। জেল
খানায় এসে যারা সমকামী হয়েছেন উনারা কিন্তু উনাদের জেল জীবনের আগের জীবনে
সমকামী ছিলেন না। এবং জেল খাটা এই সমকামী আসামীরা যখন স্বাভাবিক দুনিয়ায়
প্রবেশ করে তখন আর তাদের মাঝে কোন সমকামিতার বৈশিষ্ঠ থাকে না।
তাই
সমকামিতা অবশ্যই একটা নিরাময় যোগ্য ব্যাধি। স্বাভাবিক যৌন জীবনের পরিবেশ
পেলে জেল খানার এই আসামী ও কয়েদীরা কিন্তু কখনই সমকামী হত না।
কোন
ছেলের মাঝে যদি সত্যিই কোন সমকামিতার বৈশিষ্ঠ থাকে তাইলে বিভিন্ন সাইকো
কাউন্সেলিং এবং হোমিওপ্যাথির কিছু চিকিৎসা ঐ ছেলের সমকামিতা বৈশিষ্ঠ দূর
করে দিবে।
ইউরোপের সুইজারল্যান্ড দেশটাতে অনেক সমকামী Gay এবং
Lessbian উভয়টিই রয়েছে। কিন্তু আপনারা কি জানেন এই সুইজারল্যান্ডের অনেক
হাসপাতালে এই সমকামী ব্যক্তিদের কে চিকিৎসা করে সুস্থ করা হয়।
সুইজারল্যান্ডের Lausanne শহরে centre hospitalier universitaire vaudois
(CHUV) যেটার ইংরেজি নাম University Hospital of Lausanne এ সমকামিতা রোগের
প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসার জন্য একটি কাউন্সেলিং বিভাগ রয়েছে।
সুইজারল্যান্ডের এই ফ্রেঞ্চ ভাষাভাষী শহরে অনেক সমকামী (গে এবং লেসবিয়ান)
উভয়েই আছে। অনেক সমকামী সন্তানের বাবা-মা তাদের সন্তানদের মনোরোগ
বিশেষজ্ঞের নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে এনেছেন। অনেক
সমকামী ছেলেমেয়েরা এখন চিকিৎসা নিয়ে পরবর্তীতে বিপরীত লিঙ্গের বন্ধু বা
বান্ধবী নিয়ে সুস্থ্ জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়েছেন। অনেক প্রাক্তন সমকামীই
এখন বলে “জ্যা শঞ্জে লা ভি, মাতওন জ ভিভ মা ভি তখ্রে হখো।” অর্থাৎ, আমি
আমার জীবনধারা পরিবর্তন করেছি এবং সুখী জীবনযাপন করছি। তাই সমকামিতা অবশ্যই
একটি আরোগ্য-উপযোগী ব্যাধি যে কারণে হাসপাতালে এর চিকিৎসা এবং উপশম দুই-ই
হচ্ছে। শুধু সুইজারল্যান্ড না ইউরোপের অনেক বড় বড় শহরেই সমকামীদের নিয়ে
কাউন্সেলিং হয়।
কিন্তু আপনারা প্রায়ই দেখবেন যে নাস্তিকরা বলে
সমকামীতা কোন মানসিক রোগ নয় এটা একটা স্বাভাবিক যৌন প্রবৃত্তি। বাংলাদেশের
নাস্তিকদের প্রধান মুক্তমনার প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায়ের কথা হল কেউ যদি
সমকামি হতে চায় তাইলে তাকে সমকামী হতে দাও। এমনকি অভিজিৎ রায় সমকামীদের
পক্ষে কথা বলতে যেয়ে তাদের কে লিঙ্গ পরিবর্তন করে রুপান্তরকামীতা বা
Transgender এর পক্ষে জোর দিয়েছেন। কিন্তু অভিজিৎ রায় একটুও চিন্তা করে
দেখলেন না যে একটা ছেলে যদি তার লিঙ্গ পরিবর্তন করে মেয়ে হয় তাইলে এর পরে ঐ
ছেলেটাকে কতটুকু শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। লিঙ্গ পরিবর্তন করার
চেয়ে সমকামী বৈশিষ্ঠ সম্পন্ন কোন ব্যক্তির সাইকো থেরাপীর মাধ্যমে সুস্থ
হওয়াই কি উত্তম নয় ? প্রথমদিকে সমকামিতার পক্ষে কথা বলতে যেয়ে অনেকেই গে
জিনের কথা বলত। কিন্তু গে জিন বলতে যে কিছু নাই এটা এখন প্রমানিত। আর জিনগত
কারনে আমাদের প্রত্যেকেরই মাঝে পূর্ব পুরুষদের কিছু খারাপ বৈশিষ্ঠ আসে।
চুরি ডাকাতি মাদক সেবন ব্যভিচার এইসব করতে আমাদের অনেকেরই ইচ্ছা হয়। কিন্তু
তাই বলে কি আমাদের মন চাইলেই আমরা এই কুকর্ম গুলিতে লিপ্ত হই ? যুক্তির
খাতিরে যদি ধরেই নেই যে কোন ছেলের মাঝে গে জিন আছে তাইলে ঐ ছেলের পিতা
মাতার উচিত ঐ ছেলেকে মানসিক কাউন্সিলং এর মাধ্যমে সুস্থ করা।
অনেকেই সমকামীদের সাথে হিজরাদের কে মিলিয়ে ফেলে। হিজরাদের কোন মানসিক
সমস্যা নেই। হিজরাদের রয়েছে শারীরিক সমস্যা। তবে ইসলামী শরীয়তে হিজড়া বা
তৃতীয় লিঙ্গ বলে কিছু নাই। ইসলামী শরীয়তে হিজরাদের কে হয় ছেলে নয় মেয়ে
হিসাবে জীবন যাপন করতে হবে। ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকেই অনেক হিজরা মুসলমান
হয়েছিলেন। খোদ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়েও অনেক
হিজড়া মুসলমান হয়েছিলেন। ঐ হিজড়ারা কিন্তু একজন পুরুষ ব্যক্তির মতই জীবন
যাপন করে গেছেন। এবং মৃত্যুর পর ঐ হিজরাদের কে একজন পুরুষ মুসলমান হিসাবেই
দাফন করা হয়েছিলেন। তাই হিজরাদের কে ঘৃণা করার কিছু নেই। তবে শতকরা ৯০ ভাগ
হিজড়াকেই ছোটবেলায় অস্ত্রোপাচারের মাধ্যমে সুস্থ করা যায়।
সমকামিতা নিয়ে এটা আমার ২য় status. সমকামিতা নিয়ে আমার ১ম status টা পড়তে এই লিংকে যান https://www.facebook.com/shafiur2012/posts/784253394934780
অনলাইনে বাংলাভাষায় সমকামিতার বিরুদ্ধে হাতে গোনা মাত্র কয়েকটা লেখা আছে।
আমি চেষ্টা করছি বৈজ্ঞানিক ও সামাজিক দৃষ্টি ভঙ্গিতে সমকামিতা যে একটি
বিকৃত যৌনাচার ছাড়া আর কিছু না এই বিষয়ে একটা ফেইসবুক NOTE লিখতে। তবে
সমকামিতার বিরুদ্ধে লিখতে গেলে অনেক Wild কথাবার্তা এসে পড়বে। আশাকরি
আপনারা আমার এই wild Talk গুলিকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
সমকামিতার
পক্ষে বাংলার নাস্তিকরা প্রায়ই কথা বলে। আমাদের খুব পরিচিত একজন নাস্তিক
Omar Farooq Lux দীর্ঘদিন ধরেই সমকামিতার পক্ষে অনেক কথাই বলে যাচ্ছেন।
নাস্তিকদের দৃষ্টিতে সমকামিতা হল একটি স্বাভাবিক যৌণাচার কোন বিকৃত যৌনাচার
নয়। নাস্তিকদের কথা হল কোন ছেলে মেয়ে যদি Gay বা Lessbian হতে চায় তাইলে
তাকে Gay বা Lessbian হতে দাও। এখন সমাজ উচ্ছন্নে গেলেও যাক। আচ্ছা এই
পৃথিবীতে আপনি কি এমন কোন সমকামী ব্যক্তিকে
পাবেন যে উভকামী নয় ? প্রত্যেকটা সমকামী ব্যক্তিই তার বিপরীত লিঙ্গের সাথে
Sex করে। ধরেন একটা ছেলে বলছে সে সমকামী বা Gay, কিন্তু এই ছেলেটি কিন্তু
সুযোগ পেলেই মেয়েদের সাথেও মিলিত হয়। অর্থ্যাৎ সমকামী ছেলেটি একই সাথে একটি
ছেলের সাথেও Sex করে এবং সময় সুযোগ পেলে একটি মেয়ের সাথেও Sex করে। তাইলে
আমরা এই সমকামী পরিচয়ধারী ছেলেটিকে একজন উভকামী বা Bisexual বৈশিষ্ঠ
সম্পন্ন ব্যক্তি বলতে পারি। ঠিক সেরকম ভাবে যেই মেয়েটা নিজেকে লেসবিয়ান বলে
পরিচয় দেয় সেও কিন্তু প্রায়ই অনেক ছেলের সাথে মিলিত হয়। Yahoo messanger এ
যারা Lessbian Group এ Chat করেছেন তারা জানেন যে প্রায় প্রত্যেকটা
লেসবিয়ান মেয়েই ছেলেদের সাথে বিছানায় শুইতে চায়। তসলিমা নাসরিনের “ফরাসী
প্রেমিক” উপন্যাসে ও উনার আরো অনেক উপন্যাসেও আমরা অনেক লেসবিয়ান মেয়েদের
কথা পাই। কিন্তু তসলিমা নাসরিন উনার সেই উপন্যাসগুলিতে এই কথাও উল্লেখ
করেছেন যে এই লেসবিয়ান মেয়েগুলি ছেলেদের কাছ থেকে বঞ্চিত হওয়ার পরেই তারা
লেসবিয়ান হয়েছে। ভবিষ্যতে ভাল কোন ছেলে পেলে সেই লেসবিয়ান মেয়ে গুলিও
ছেলেদের সাথেই সংসার শুরু করবে। অর্থাৎ যেই সমকামিতা নিয়ে সারা পৃথিবীতে এত
হইচই হচ্ছে কিন্তু একটু অনুসন্ধান করলেই দেখা যায় যে যাদের কে আমরা সমকামী
বলছি তারা আসলে সমকামী না তারা হল উভকামী। তারা ছেলে ও মেয়ে উভয়ের সাথেই
বিছানায় যায়। হ্যাঁ এইকারনেই সমকামিতা কে পশ্চিমা বিশ্বের প্রথম শ্রেণীর বড়
বড় সমাজবিজ্ঞানী থেকে শুরু করে মনোবিজ্ঞানীরা সমকামিতাকে একটা Mental
Disorder অথবা একটা মানসিক রোগ অথবা একটা বিকৃত যৌনাচার বলেছেন। আমেরিকার
সেনাবাহিনীতে প্রায় ৬০০০০ এর মত সমকামী আছে। কিন্তু আমেরিকার প্রতিরক্ষা
দপ্তর পেন্টাগন বলছে এই ৬০০০০ ব্যক্তিরা কেউই সমকামী নয়। এরা হচ্ছে উভকামী।
পেন্টাগন এই ৬০০০০ সমকামী পরিচয়দানকারী ব্যক্তিকে মানসিকভাবে অসুস্থও
বলেছে। আমেরিকার প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এই এই ৬০০০০ সমকামী
পরিচয়দানকারী ব্যক্তিকে সুস্থ করার জন্য কাউন্সিলিং এরও ব্যবস্থা করেছে।
নাস্তিকরা কি এখন তাইলে পেন্টাগন কেও বলবে যে পেন্টাগন Medical Science
বুঝে না। সমকামিতার ব্যাপারে পেন্টাগনের দৃষ্টিভঙ্গী জানতে এই লিংকে ক্লিক
করুন http://tinyurl.com/p2q2pdn
আচ্ছ একটা লোক কখন সমকামী হয় ? যখন একটা লোক প্রচুর পরিমানে 3X দেখে ও
বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষন হারিয়ে ফেলে তখনই সে আরো নতুন নতুন জৈবিক
আনন্দ পাওয়ার লোভে তার নিজের লিঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট হয়। আপনারা কি জানেন এই
সমকামী ব্যক্তিগুলিই যখন আর তাদের নিজ লিঙ্গের সাথে Sex করার মাঝে উৎসাহ
হারিয়ে ফেলে তখনই কুকুর গাধা খচ্চর অজগর এরকম চতুস্পদ জন্তুর সাথেও Sex এ
মিলিত হয়। অর্থাৎ বিকৃত যৌনাচার ইচ্ছা চরিতার্থ করার জন্যই একটা লোক সমকামী
হয়। কারন এই পৃথিবীতে আপনি এমন একজনও সমকামী খুজে পাবেন না যে তার বিপরীত
লিঙ্গের সাথে SEX করতে উৎসাহী না। অর্থাৎ প্রত্যেকটা সমকামী ব্যক্তিই হল
উভকামী ও পরবর্তীতে চতুষ্পদ জন্তুকামী। তাই সমকামিতা যে একটা বিকৃত যৌনাচার
এতে আর কোন সন্দেহ নাই। আচ্ছা এখন হয়ত নাস্তিকরা বলতে পারে বর্তমান
পৃথিবীতে তো অনেকেই সমকামী আছে। তো আপনি কি এই বিপুল জনগোষ্ঠীর সমকামিতা
করার ইচ্ছা কে অস্বীকার করতে পারবেন ? আচ্ছা বর্তমান এই পৃথিবীতে অনেক
মানুষই তো মাদক দ্রব্য গ্রহন করতে চায়। অনেক লোকই তো চায় কোকেন, হিরোইন,
মদ, গাঁজা, ফেনিসিডেল খেয়ে বেঁচে থাকতে চায়। তাইলে যারা এই পৃথিবীতে
মাদকাসক্ত হতে চায় আমরা কি সেই সব মাদক গ্রহন করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের কে
মাদক সরবরাহ করব ? কখনই নয়। কারন মাদকদ্রব্য কে চাল ডাল তরকারির মত বৈধ করে
দিলে এই সমাজ সংসার রাষ্ট্র ধ্বংস হয়ে যাবে। এখন নাস্তিকরা হয়ত বলতে পারে
এত বিপুল সংখ্যক লোক মাদকদ্রব্য গ্রহন করতে চাচ্ছে আর আপনারা তাদের কে মাদক
দ্রব্য গ্রহন করতে বিরত থাকতে বলছেন এটা কি অন্যের ব্যক্তিগত অধিকারের উপর
হস্তক্ষেপ নয়? হ্যাঁ এটা অবশ্যই তাদের ব্যক্তিগত অধিকারের উপর হস্তক্ষেপ
কিন্তু আমরা তাদের এই ব্যক্তিগত অধিকারের উপর এই কারনেই হস্তক্ষেপ করছি
কারন হল যারা মাদক দ্রব্য গ্রহন করতে চাচ্ছে তারা হল সবাই মানসিক ভাবে
অসুস্থ। তাই আমাদের কাজ হল মাদক দ্রব্য গ্রহন করতে চাওয়া সেই অসুস্থ
ব্যক্তিদের কে সুস্থ করা। আর এইজন্যই আমরা মাদকদ্রব্যের বেচাকেনাকে অবৈধ
ঘোষণা করেছি। ঠিক সেইরকম ভাবেই এই পৃথিবীর কিছু বিকৃত রুচির লোকও যদি
সমকামিতার চর্চা করতে চায় তাইলে আমাদের উচিত হবে তাদের কে সমকামিতা চর্চা
করার সুযোগ না দিয়ে তাদের কে মানসিক কাউন্সিলংয়ের মাধ্যমে সুস্থ যৌনাচারে
দিয়ে নিয়ে যাওয়া। আর ইদানিং দেখা যাচ্ছে মুক্তমনা ওয়েবসাইটে প্রায়ই বলা
হচ্ছে যে অনেক পাখিদের মঝেও নাকি সমকামিতা পরিলক্ষিত হয়। আসলে যেই সকল
পাখিরা ছোটবেলায় তাদের পিতামাতার সাহচার্য পায় না এবং পরিবেশ বিপর্যয়ের
কারনে তাদের বিপরীত লিঙ্গ খুজে পায় না শুধু সেই সকল পাখিগুলিও তাদের নিজ
লিঙ্গয়ের প্রতি আকৃষ্ট হয়। তবে এটা সংখ্যায় খুব কম। তাই সমকামিতার
দৃষ্টান্ত পশুপাখিদের মাঝে খুব কমই পাওয়া যায়। একটা বাঘিনী তার বাচ্চা
গুলিকে ১৮ মাস লালন পালন করে। অনেক বাঘিনী একসাথে ৪টা বাচ্চাও দেয়। একটা
বাঘিনীর পক্ষে এই ১৮ মাস ৪টা বাচ্চাকে লালন পালন করা কিন্তু খুবই কষ্টকর।
কিন্তু তাও দেখা যায় যে এই পৃথিবীর বেশীরভাগ বাঘিনীই তার বাচ্চাদেরকে মানুষ
করে। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় যে কিছু বাঘিনী তার বাচ্চাদের কে খেয়ে ফেলে
ও অথবা তার বাচ্চাদের কে পরিত্যাগ করে চলে যায়। কিন্তু সেইরকম বাঘিনীর
সংখ্যা খুবই কম। যেই সকল বাঘিনী তার বাচ্চাদের কে খেয়ে ফেলে
প্রাণিবিজ্ঞানীরা সেই সকল বাঘিনীদের কে অস্বাভাবিক মানসিক বিকারগ্রস্থ
কাতারে ফেলেন। এখন আপনি যদি এই সামান্য সংখ্যক বাঘিনীর দৃষ্টান্ত দিয়ে বলেন
যে এই পৃথিবীর সকল বাঘিনীই তার বাচ্চাদের কে খেয়ে ফেলে তাইলে আপনার কথাটা
অবশ্যই ভুল। ঠিক সেরকম ভাবে কিছু পাখি যদি ছোটবেলায় তার পিতা মাতার
সান্নিধ্য না পাওয়ার কারবে বা তার বিপরীত লিঙ্গ খুজে না পাওয়ার কারনে
সমকামী হয় এটা কখনই পাখিকুলের কোন সামগ্রিক বৈশিষ্ঠ হতে পারে না। দূঃখজনক
হলেও সত্য যে নাস্তিকরা প্রাণিকুলের সেই ব্যতিক্রম কিছু বৈশিষ্ঠকেই সমগ্র
প্রাণিকূলের বৈশিষ্ঠ বলে চালিয়ে দেয়।
আর মুক্তমনা ওয়েবসাইট টা এই
পর্যন্ত সমাকামিতার পক্ষে কত প্রচারনাই না চালাল কিন্তু আপনারা কি কখনই
দেখছেন যে এই মুক্তমনা ওয়েবসাইটে পতিতাবৃত্তির বিরুদ্ধে কোন কথা বলতে। এখনো
বাংলাদেশে সরকারীভাবে ৮ টা পতিতালয় আছে বিপুল সংখ্যক মেয়ে পেটের দায়ে আজ
তার দেহকে বিক্রি করে সমাজে টিকে আছে। এই সমকামিতার অধিকারের পক্ষে কথা
বলার চেয়ে এই অভাগা মেয়েদের পুনর্বাসনের কথা বলা কি বেশী জরুরী নয় ?
নাস্তিকদের ধর্ম নাকি মানবতা ? সমকামিতার পক্ষে কথা বলার সময় নাস্তিকদের
মানবতা উথলাইয়া উঠে কিন্তু পতিতাবৃত্তি পেশায় নিয়োজিত সমাজের অসহায় মেয়েদের
কে পুনর্বাসন করার কথা বলার সময় আমরা আর নাস্তিকদের কে খুজে পাই না। আর
পাবেনই বা কেমনে বাংলাদেশের নাস্তিকদের আদর্শ গুরু ২য় মুক্তিযুদ্ধের ১ম
শহীদ রাজীব/থাবা বাবা নিজেই তো সবসময় পতিতালয়ে যাইত। রাজীব যে Group Sex
করত এটা ডিবির ডিসি এডিসিরাও আমাদের সামনে স্বীকার করছে।
পরিশেষে
আমি এই কথাটাই বলতে চাই যে Omar Farooq Lux এর মত নাস্তিক ব্যক্তিরা
বিজ্ঞান, সমাজ, ইতিহাস, রাজনীতি সম্পর্কে কম জানা সহজ সরল মুসলমানদের কে
বিভ্রান্ত করছে। তাই Omar Farooq Lux এর মত জ্ঞানপাপীদের কে বয়কট করুন।