সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৩

সমকামিতার বিরুদ্ধে দেয়া 1st status.




সমকামিতার পক্ষে বাংলার নাস্তিকরা প্রায়ই কথা বলে। আমাদের খুব পরিচিত একজন নাস্তিক Omar Farooq Lux দীর্ঘদিন ধরেই সমকামিতার পক্ষে অনেক কথাই বলে যাচ্ছেন। নাস্তিকদের দৃষ্টিতে সমকামিতা হল একটি স্বাভাবিক যৌণাচার কোন বিকৃত যৌনাচার নয়। নাস্তিকদের কথা হল কোন ছেলে মেয়ে যদি Gay বা Lessbian হতে চায় তাইলে তাকে Gay বা Lessbian হতে দাও। এখন সমাজ উচ্ছন্নে গেলেও যাক। আচ্ছা এই পৃথিবীতে আপনি কি এমন কোন সমকামী ব্যক্তিকে পাবেন যে উভকামী নয় ? প্রত্যেকটা সমকামী ব্যক্তিই তার বিপরীত লিঙ্গের সাথে Sex করে। ধরেন একটা ছেলে বলছে সে সমকামী বা Gay, কিন্তু এই ছেলেটি কিন্তু সুযোগ পেলেই মেয়েদের সাথেও মিলিত হয়। অর্থ্যাৎ সমকামী ছেলেটি একই সাথে একটি ছেলের সাথেও Sex করে এবং সময় সুযোগ পেলে একটি মেয়ের সাথেও Sex করে। তাইলে আমরা এই সমকামী পরিচয়ধারী ছেলেটিকে একজন উভকামী বা Bisexual বৈশিষ্ঠ সম্পন্ন ব্যক্তি বলতে পারি। ঠিক সেরকম ভাবে যেই মেয়েটা নিজেকে লেসবিয়ান বলে পরিচয় দেয় সেও কিন্তু প্রায়ই অনেক ছেলের সাথে মিলিত হয়। Yahoo messanger এ যারা Lessbian Group এ Chat করেছেন তারা জানেন যে প্রায় প্রত্যেকটা লেসবিয়ান মেয়েই ছেলেদের সাথে বিছানায় শুইতে চায়। তসলিমা নাসরিনের “ফরাসী প্রেমিক” উপন্যাসে ও উনার আরো অনেক উপন্যাসেও আমরা অনেক লেসবিয়ান মেয়েদের কথা পাই। কিন্তু তসলিমা নাসরিন উনার সেই উপন্যাসগুলিতে এই কথাও উল্লেখ করেছেন যে এই লেসবিয়ান মেয়েগুলি ছেলেদের কাছ থেকে বঞ্চিত হওয়ার পরেই তারা লেসবিয়ান হয়েছে। ভবিষ্যতে ভাল কোন ছেলে পেলে সেই লেসবিয়ান মেয়ে গুলিও ছেলেদের সাথেই সংসার শুরু করবে। অর্থাৎ যেই সমকামিতা নিয়ে সারা পৃথিবীতে এত হইচই হচ্ছে কিন্তু একটু অনুসন্ধান করলেই দেখা যায় যে যাদের কে আমরা সমকামী বলছি তারা আসলে সমকামী না তারা হল উভকামী। তারা ছেলে ও মেয়ে উভয়ের সাথেই বিছানায় যায়। হ্যাঁ এইকারনেই সমকামিতা কে পশ্চিমা বিশ্বের প্রথম শ্রেণীর বড় বড় সমাজবিজ্ঞানী থেকে শুরু করে মনোবিজ্ঞানীরা সমকামিতাকে একটা Mental Disorder অথবা একটা মানসিক রোগ অথবা একটা বিকৃত যৌনাচার বলেছেন। আমেরিকার সেনাবাহিনীতে প্রায় ৬০০০০ এর মত সমকামী আছে। কিন্তু আমেরিকার প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন বলছে এই ৬০০০০ ব্যক্তিরা কেউই সমকামী নয়। এরা হচ্ছে উভকামী। পেন্টাগন এই ৬০০০০ সমকামী পরিচয়দানকারী ব্যক্তিকে মানসিকভাবে অসুস্থও বলেছে। আমেরিকার প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এই এই ৬০০০০ সমকামী পরিচয়দানকারী ব্যক্তিকে সুস্থ করার জন্য কাউন্সিলিং এরও ব্যবস্থা করেছে। নাস্তিকরা কি এখন তাইলে পেন্টাগন কেও বলবে যে পেন্টাগন Medical Science বুঝে না। সমকামিতার ব্যাপারে পেন্টাগনের দৃষ্টিভঙ্গী জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন http://tinyurl.com/p2q2pdn

আচ্ছ একটা লোক কখন সমকামী হয় ? যখন একটা লোক প্রচুর পরিমানে 3X দেখে ও বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষন হারিয়ে ফেলে তখনই সে আরো নতুন নতুন জৈবিক আনন্দ পাওয়ার লোভে তার নিজের লিঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট হয়। আপনারা কি জানেন এই সমকামী ব্যক্তিগুলিই যখন আর তাদের নিজ লিঙ্গের সাথে Sex করার মাঝে উৎসাহ হারিয়ে ফেলে তখনই কুকুর গাধা খচ্চর অজগর এরকম চতুস্পদ জন্তুর সাথেও Sex এ মিলিত হয়। অর্থাৎ বিকৃত যৌনাচার ইচ্ছা চরিতার্থ করার জন্যই একটা লোক সমকামী হয়। কারন এই পৃথিবীতে আপনি এমন একজনও সমকামী খুজে পাবেন না যে তার বিপরীত লিঙ্গের সাথে SEX করতে উৎসাহী না। অর্থাৎ প্রত্যেকটা সমকামী ব্যক্তিই হল উভকামী ও পরবর্তীতে চতুষ্পদ জন্তুকামী। তাই সমকামিতা যে একটা বিকৃত যৌনাচার এতে আর কোন সন্দেহ নাই। আচ্ছা এখন হয়ত নাস্তিকরা বলতে পারে বর্তমান পৃথিবীতে তো অনেকেই সমকামী আছে। তো আপনি কি এই বিপুল জনগোষ্ঠীর সমকামিতা করার ইচ্ছা কে অস্বীকার করতে পারবেন ? আচ্ছা বর্তমান এই পৃথিবীতে অনেক মানুষই তো মাদক দ্রব্য গ্রহন করতে চায়। অনেক লোকই তো চায় কোকেন, হিরোইন, মদ, গাঁজা, ফেনিসিডেল খেয়ে বেঁচে থাকতে চায়। তাইলে যারা এই পৃথিবীতে মাদকাসক্ত হতে চায় আমরা কি সেই সব মাদক গ্রহন করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের কে মাদক সরবরাহ করব ? কখনই নয়। কারন মাদকদ্রব্য কে চাল ডাল তরকারির মত বৈধ করে দিলে এই সমাজ সংসার রাষ্ট্র ধ্বংস হয়ে যাবে। এখন নাস্তিকরা হয়ত বলতে পারে এত বিপুল সংখ্যক লোক মাদকদ্রব্য গ্রহন করতে চাচ্ছে আর আপনারা তাদের কে মাদক দ্রব্য গ্রহন করতে বিরত থাকতে বলছেন এটা কি অন্যের ব্যক্তিগত অধিকারের উপর হস্তক্ষেপ নয়? হ্যাঁ এটা অবশ্যই তাদের ব্যক্তিগত অধিকারের উপর হস্তক্ষেপ কিন্তু আমরা তাদের এই ব্যক্তিগত অধিকারের উপর এই কারনেই হস্তক্ষেপ করছি কারন হল যারা মাদক দ্রব্য গ্রহন করতে চাচ্ছে তারা হল সবাই মানসিক ভাবে অসুস্থ। তাই আমাদের কাজ হল মাদক দ্রব্য গ্রহন করতে চাওয়া সেই অসুস্থ ব্যক্তিদের কে সুস্থ করা। আর এইজন্যই আমরা মাদকদ্রব্যের বেচাকেনাকে অবৈধ ঘোষণা করেছি। ঠিক সেইরকম ভাবেই এই পৃথিবীর কিছু বিকৃত রুচির লোকও যদি সমকামিতার চর্চা করতে চায় তাইলে আমাদের উচিত হবে তাদের কে সমকামিতা চর্চা করার সুযোগ না দিয়ে তাদের কে মানসিক কাউন্সিলংয়ের মাধ্যমে সুস্থ যৌনাচারে দিয়ে নিয়ে যাওয়া। আর ইদানিং দেখা যাচ্ছে মুক্তমনা ওয়েবসাইটে প্রায়ই বলা হচ্ছে যে অনেক পাখিদের মঝেও নাকি সমকামিতা পরিলক্ষিত হয়। আসলে যেই সকল পাখিরা ছোটবেলায় তাদের পিতামাতার সাহচার্য পায় না এবং পরিবেশ বিপর্যয়ের কারনে তাদের বিপরীত লিঙ্গ খুজে পায় না শুধু সেই সকল পাখিগুলিও তাদের নিজ লিঙ্গয়ের প্রতি আকৃষ্ট হয়। তবে এটা সংখ্যায় খুব কম। তাই সমকামিতার দৃষ্টান্ত পশুপাখিদের মাঝে খুব কমই পাওয়া যায়। একটা বাঘিনী তার বাচ্চা গুলিকে ১৮ মাস লালন পালন করে। অনেক বাঘিনী একসাথে ৪টা বাচ্চাও দেয়। একটা বাঘিনীর পক্ষে এই ১৮ মাস ৪টা বাচ্চাকে লালন পালন করা কিন্তু খুবই কষ্টকর। কিন্তু তাও দেখা যায় যে এই পৃথিবীর বেশীরভাগ বাঘিনীই তার বাচ্চাদেরকে মানুষ করে। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় যে কিছু বাঘিনী তার বাচ্চাদের কে খেয়ে ফেলে ও অথবা তার বাচ্চাদের কে পরিত্যাগ করে চলে যায়। কিন্তু সেইরকম বাঘিনীর সংখ্যা খুবই কম। যেই সকল বাঘিনী তার বাচ্চাদের কে খেয়ে ফেলে প্রাণিবিজ্ঞানীরা সেই সকল বাঘিনীদের কে অস্বাভাবিক মানসিক বিকারগ্রস্থ কাতারে ফেলেন। এখন আপনি যদি এই সামান্য সংখ্যক বাঘিনীর দৃষ্টান্ত দিয়ে বলেন যে এই পৃথিবীর সকল বাঘিনীই তার বাচ্চাদের কে খেয়ে ফেলে তাইলে আপনার কথাটা অবশ্যই ভুল। ঠিক সেরকম ভাবে কিছু পাখি যদি ছোটবেলায় তার পিতা মাতার সান্নিধ্য না পাওয়ার কারবে বা তার বিপরীত লিঙ্গ খুজে না পাওয়ার কারনে সমকামী হয় এটা কখনই পাখিকুলের কোন সামগ্রিক বৈশিষ্ঠ হতে পারে না। দূঃখজনক হলেও সত্য যে নাস্তিকরা প্রাণিকুলের সেই ব্যতিক্রম কিছু বৈশিষ্ঠকেই সমগ্র প্রাণিকূলের বৈশিষ্ঠ বলে চালিয়ে দেয়।

আর মুক্তমনা ওয়েবসাইট টা এই পর্যন্ত সমাকামিতার পক্ষে কত প্রচারনাই না চালাল কিন্তু আপনারা কি কখনই দেখছেন যে এই মুক্তমনা ওয়েবসাইটে পতিতাবৃত্তির বিরুদ্ধে কোন কথা বলতে। এখনো বাংলাদেশে সরকারীভাবে ৮ টা পতিতালয় আছে বিপুল সংখ্যক মেয়ে পেটের দায়ে আজ তার দেহকে বিক্রি করে সমাজে টিকে আছে। এই সমকামিতার অধিকারের পক্ষে কথা বলার চেয়ে এই অভাগা মেয়েদের পুনর্বাসনের কথা বলা কি বেশী জরুরী নয় ? নাস্তিকদের ধর্ম নাকি মানবতা ? সমকামিতার পক্ষে কথা বলার সময় নাস্তিকদের মানবতা উথলাইয়া উঠে কিন্তু পতিতাবৃত্তি পেশায় নিয়োজিত সমাজের অসহায় মেয়েদের কে পুনর্বাসন করার কথা বলার সময় আমরা আর নাস্তিকদের কে খুজে পাই না। আর পাবেনই বা কেমনে বাংলাদেশের নাস্তিকদের আদর্শ গুরু ২য় মুক্তিযুদ্ধের ১ম শহীদ রাজীব/থাবা বাবা নিজেই তো সবসময় পতিতালয়ে যাইত। রাজীব যে Group Sex করত এটা ডিবির ডিসি এডিসিরাও আমাদের সামনে স্বীকার করছে।

পরিশেষে আমি এই কথাটাই বলতে চাই যে Omar Farooq Lux এর মত নাস্তিক ব্যক্তিরা বিজ্ঞান, সমাজ, ইতিহাস, রাজনীতি সম্পর্কে কম জানা সহজ সরল মুসলমানদের কে বিভ্রান্ত করছে। তাই Omar Farooq Lux এর মত জ্ঞানপাপীদের কে বয়কট করুন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন